
TMC Abhishek Banerjee : সই জালিয়াতি কান্ডের পর এবার প্রাথমিক নিয়োগ দূর্নীতি। পরপর মামলার জেরায় জেরবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি। CID- র পর এবার ED, রবিবার একটানা ৭ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার অন্য একটি মামলায় টানা ১১ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলে অভিষেকের। প্রাথমিক দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক ব্যানার্জীর সোমবার ডাক পড়েছিল সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি হাজির হন সেখানে। ভিড় ঠেলে সাংবাদিকদের কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়েই দপ্তরের ভিতরে প্রবেশ করেন তিনি।
এর আগের দিন ভবানীভবনে তদন্তকারী আধিকারিকদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল অভিষেককে। বিধায়কদের সই জালিয়াতি কান্ডে তাকে তলব করে CID অফিসাররা। টানা ৭ ঘন্টা ধরে জেরার চলে তার। কখনও রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থা, কখনও কেন্দ্রীয় এজেন্সির জিজ্ঞাসাবাদের সামনে পড়তে হয় অভিষেককে। কখনও সই কান্ড, কখনও প্রাইমারি নিয়োগ দুর্নীতি, পরদিন মঙ্গলবার আবারও একটি মামলায় জেরার মুখে পড়তে হবে অভিষেককে। উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে আবারও CID দপ্তরে এজেন্সির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হবে অভিষেককে। যদিও তিনি বলেছেন ‘ আমি ভেঙে পড়ার পাত্র নই। তদন্তে আমার পূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি না থাকলে আমার হাজিরা দিতে কোনো অসুবিধা নেই’।
প্রসঙ্গত, এর আগেও প্রাইমারি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED দপ্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক। উক্ত মামলার চার্জশীটে নাম ওঠে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। বর্তমানে উনি ইডি হেফাজতে রয়েছেন। ঐ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর দুর্নীতি কেসে তদন্ত চলাকালীন একটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ্যে আসে। রেকর্ডিং-এ অভিষেক ব্যানার্জীর নাম ওঠে আসে, সেই সূত্র ধরেই ইডির তরফে তলব করা হয় অভিষেককে। একের পর এক মামলা পরপর তিনদিন টানা হাজিরায় জেরবার অভিষেক ব্যানার্জীর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয় সেটাই এখন দেখার
