
Ritabrata Trinamool: দল ভেঙে নতুন তৃণমূল গঠন হওয়ার পরপরই নব্য তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তৃণমূল দলের রাশ কার হাতে থাকবে, সেই নিয়ে আকচাআকচির শেষ নেই। আইন অনুযায়ী, সংখ্যার নিরিখে মোট বিধায়কের তুই- তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা যে দিকে থাকবে, তারাই হবে দলের আসল দাবিদার। স্বীকৃতি আদায়ের উদ্দেশ্যে ঋতব্রত তাই আজ সাদা ফাইল নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দিকে রওনা দিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল দলের প্রায় ৮০ জন বিধায়ক জয়ী হয়েছিল। ফল ঘোষণার কিছু দিনের মধ্যেই দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে আসে। প্রায় ৬০ জন বিধায়ক মমতা-অভিষেক ছেড়ে ঋতব্রতর নেতৃত্বে নতুন বিরোধী শিবিরে যোগদান করে। এখন দলের মালিকানা কাদের হাতে থাকবে–তৃণমূল দলের তহবিল পরিচালনার ক্ষমতা কাদের হাতে থাকবে, সেই নিয়ে যুযুধান দুই শিবিরের দ্বন্দ্ব চরমে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই দলের মালিকানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। যদিও আদালত এই বিষয়ে কোন অন্তবর্তী রায় দেয়নি। আগামীতে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। এদিকে, কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস দলের তহবিলে সবরকম লেনদেন বন্ধ করার আর্জি জানিয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন। প্রতীক চিহ্ন ঘাসফুল ও দলের তহবিল কারা ব্যবহার করবে…কালীঘাটের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত। এই জলঘোলার মধ্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন কমিশনে দ্বারস্থ হওয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা
